বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা মাঠ কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে জাতির জনকের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পন


স্টাফ রিপোর্টার -বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা মাঠ কর্মচারী সমিতির নব গঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে ৮ই মার্চ রোজ শুক্রবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় গোপালগঞ্জ টুঙ্গীপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পন, দোয়া ও মুনাজাত সম্পন্ন হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভাপতি ফিরোজ মিয়া, সাধারন সম্পাদক নাজনীন আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল ইসলাম, ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ এনামুল হক, খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী জোবায়েদ হোসেন, বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান টিটু, রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন, যশোর জেলার সাধারন সম্পাদক মুখেশ ঘোষ সহ বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ। বিকেলে উপজেলা পরিষদ হল রুমে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তরা বলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাংঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই বাংলাদেশে পরিবার পরিকল্পনার গুরুত্ব বুঝে এই ডিপার্টমেন্টের কার্যক্রম চালু করেন। যার ফলশ্রুতিতে এই ডিপার্টমেন্টের কর্মচারীদের আন্তরিকতায় বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আজ বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে পরিগনিত হয়ে আসছে। শিশু মৃত্যু, মাতৃ মৃত্যু রোধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাউথ সাউথ পুরুষ্কার পেয়েছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি আর বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৯ কোটি, আজ ২০১৯ সালে পাকিস্তানের জনসংখ্যা ২১ কোটি আর বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি প্রায়। এ দিক দিয়ে হিসেব করলেও সহজে বুঝা যায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে মাঠ কর্মীদের অবদান অনেক বেশী। এছাড়া ও মাঠ কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জন্মনিয়ন্ত্রন সামগ্রী বিতরন, গর্ববতী মায়েদের চেকআপ, নিরাপদ প্রসবের পরামর্শ দান ও হসপিটালে রেফার করা, কিশোর কিশোরীদের স্বাস্হ্য সচেতনতা প্রদান করা, বাল্য বিবাহের কূফল, ডায়েরিয়া প্রতিরোধে করনীয়, প্রাথমিক শিক্ষায় উদ্ভুদ্ধকরন, শিশুদের টিকা দান, অটিজম শিশু বাছাইকরন, কমিউনিকেবল-নন কমিউনিকেবল ডিজিজ সম্পর্কে পরামর্শ দান, স্বাস্হ্য সচেতনতা বিষয়ক পরামর্শ সহ বিভিন্ন কাজ করে থাকেন। বক্তরা আরো বলেন পরিবার পরিকল্পনা মাঠ কর্মী (এফ ডব্লিউ এ) এবং পরিদর্শকরা হলো ডিপার্টমেন্টের প্রান বিন্দু কিন্তু তারা সবচেয়ে অবহেলিত। একই পদে চাকুরী করে পি আর এল এ যেতে হয়। নেই কোন প্রমোশন বা পদোন্নতি। নিয়োগবিধী না থাকা সত্বেও ডিপার্টমেন্টে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু আছে যা অত্যন্ত দুখঃজনক। যোগ্যতা উন্নীতকরন সহ নিয়োগবিধী বাস্তাবায়নের লক্ষ্যে দ্রুতই প্রেস কনফারেন্স, মানববন্ধন, অনশন সহ কঠোর কর্মসূচী দেয়া হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।