বেগমগঞ্জের শরীফপুরে স্কুলছাত্রীকে জবাই করে হত্যার চেষ্টা!

স্টাফ রিপোর্টার :
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে এক স্কুলছাত্রীকে জবাই করে হত্যার চেষ্টার ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।!

স্থানীয় সূত্র জানায় বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুরের রজব উদ্দিন ছেরাং বাড়ীর সাহাব উদ্দিন, জোৎস্না আক্তার, রহিমা বেগম তিন ভাই-বোনের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে জায়গা জমির বিরোধ চলে আসছিল। তারই জের ধরে বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সোনাপুর স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী নাজমা আক্তারকে তার নিজ ঘরে বটি দিয়ে গলায় পোচ দিয়ে জবাই করে হত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জোৎস্নাকে লক্ষীপুরে বিয়ে দেয়ার পর মেঘনার নদীগর্ভে তার বাড়ী বিলীন হয়ে যায়। এরপর থেকে সে বাপের বাড়ী শরীফপুরে ৪ মেয়ে ১ ছেলে নিয়ে বসবাস করে আসছে। তার বোন রহিমা কুমিল্লা মনোহরগঞ্জ, ভাই সাহাব উদ্দিন সিলেটে আদম ব্যবসা করে। হঠাৎ রহিমা এবং সাহাব উদ্দিন বাড়ীতে এসে জোৎস্নার সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটির মধ্যে রহিমাকে জোৎস্না এবং তার মেয়েরা বেদম মারধর করে। এসময় জোৎস্না বটি দিয়ে আম কাটতেছিল। এক পর্যায়ে সে ক্ষিপ্ত হয়ে জোৎস্নার মেয়ে নাজমা (১৭) কে মাটিতে শুইয়ে বটি দিয়ে জবাই করার চেষ্টা করে! এ সময় পাশে থাকা তার বোন নাসরিন এবং মা জোৎস্না ও পার্শ্ববর্তী চাচাত বোন ফেরদৌসীসহ তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় বেগমগঞ্জ ৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে ঐ হাসপাতালে নাজমার চিকিৎসা চলছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় শরীফপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রসূল জানান, ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই টেলিফোনে আমাকে বিষয়টি জানালে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করি এবং পরিবারের সবাইর সাথে আলাপ করি, আহত স্কুল ছাত্রীকে হাসপাতালে দেখতে যাই। তারা বলে লক্ষীপুরে নদীগর্ভে বসত বাড়ী বিলীন হওয়ার পর থেকে জোৎস্না বাপের বাড়ীতে বসবাস করে। বর্তমানে তার ভাই সাহাব উদ্দিন ও বোন রহিমা তাকে উচ্ছেদ করার জন্য বার বার তার পরিবারের উপর আক্রমণ করে বলে জানায়।
এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

About alokitonoakhali